মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

এক নজরে

১৬ জৈষ্ঠ্য ১৩৯৫ বঙ্গাব্দ/ ৩০ মে ১৯৮৮ খ্রিষ্টাব্দ তারিখ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ২-৫৮/৮৪/২৩৭ ও ২৩৮ নং স্মারকে বৃহত্তর সিলেট ও বরিশালের মোট ৮টি জেলার মৌজাসমূহের এলাকাভুক্ত ভূমির স্বত্বলিপি প্রস্তুত ও সংশোধন এবং ভূমির জরিপ ও নকশা প্রস্তুতের জন্য বাংলাদেশ সরকারের গেজেট বিজ্ঞপ্তি জারী হয়। জেলাগুলো হলো, বৃহত্তর সিলেটের সিলেট, মৌলভীবাজার, সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ এবং বৃহত্তর বরিশালের বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর ও ভোলা (নিম্নের ছবি দ্রষ্টব্য)।

 

১৯৫০ সনের জমিদারী দখল ও প্রজাস্বত্ব আইনের (১৯৫১ সনের ২৮ নং আইন) ১৪৪ নং ধারার ১ নং উপধারা এবং ১৮৭৫ সনের বেঙ্গল সার্ভে এ্যাক্টের ৩ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এ ঘোষণা প্রদান করে। সে মোতাবেক শ্রীমঙ্গল উপজেলার মৌজাসমূহের এলাকাভুক্ত ভূমির স্বত্বলিপি প্রস্তুত ও সংশোধন এবং ভূমির জরিপ ও নকশা প্রস্তুতের কাজ শুরু হয়।

 

(১) ১৮৭৫ সনের বেঙ্গল সার্ভে এ্যাক্ট, (২) ১৯৩৩ সনের স্ট্যান্ডার্ড রুলস রিগার্ডিং দ্য রিভিশনাল সেটেলমেন্ট অপারেশন ইন বেঙ্গল, (৩) ১৯৩৫ সনের সার্ভে ও সেটেলমেন্ট ম্যানুয়াল, (৪) ১৯৫৭ সনে পুনঃমুদ্রিত টেকনিক্যাল রুলস এন্ড ইন্সট্রাকশন অব সেটেলমেন্ট ডিপার্টমেন্ট, (৫) ১৯৫০ সনের জমিদারী উচ্ছেদ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫৫ সনের প্রজাস্বত্ব বিধি, (৬) ১৯৫৮ সনের গভর্নমেন্ট এস্টেটস ম্যানুয়াল, (৭) ১৯৭২ সনের বাংলাদেশ ল্যান্ড হোল্ডিং লিমিটেশন অর্ডার, (৮) ১৯৮২ সনের একুইজিশন এন্ড রিকুইজিশন অব ইমুডেবল প্রপার্টি অধ্যাদেশ এবং (৯) ১৯৮৪ সনের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ অবলম্বনে এ বিশাল কর্মযজ্ঞ প্রায় সমাপ্ত।

 

উপজেলার মোট ১১০টি মৌজার মধ্যে এ যাবৎ ১০৬টি মৌজার ছাপা খতিয়ান ও ম্যাপ ভূমি মালিকদের হাতে তুলে দেয়া হয়েছে।

 

 

 

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter